প্রিয় দেশবাসী ,
আসসালামু আলাইকুম , আশা করি সবাই ভাল আছেন। সবাই ভাল থাকবেন এই কামনাই করি। আজ আপনাদের সবাইকে একটি গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা বলতে চাই। গ্রুপটি ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। তখনকার প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আসলাম, মোঃ সাদ্দাম হোসেন বাপ্পি ও মোঃ সানোয়ার হোসেন ইমন ভাইয়ের হাত ধরে গ্রুপটি আজ প্রায় ৪ লক্ষ সদস্যের একটি বিশাল পরিবার।
প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই গ্রুপটি মানব সেবা মুলক কাজে অগ্রণী ভুমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে যার সুনাম সারা দেশ ব্যাপি ছড়িয়ে পড়ছে। গ্রুপ থেকে অসহায় রোগীকে সম্পুর্ন বিনা মুল্যে ও সেচ্ছায় ১৫০০+ ব্যাগ রক্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চিকিৎসার অভাবে যে সকল লোক মারা যাচ্ছে। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিল না। গ্রুপটি তাদের চিকিৎসার ব্যাবস্থা করে দিয়েছে। আপনারা অনেকেই মানবাধিকার কর্মী সানজিদা কলির কথা জানেন। গ্রুপটি তার চিকিৎসার ব্যাপারেচ আর্থিকভাবে সাহায্য করেছে। আমাদের গ্রুপের একজন এক্টিভ মেম্বার মারিয়া যখন খুব অসুস্থ ছিল। তখন গ্রাম থেকে ঢাকা এনে হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে, হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়ার পর , তার প্রোয়োজনীয় ঔষধ পত্রাদি কিনে দিয়ে তার বাড়ি পর্যন্ত পৌছে দিয়ে আসে। বাকেরগঞ্জের শিশু মেহেদির কিডনি ও প্রশাবের রাস্তায় সমস্যা হলে আমরা তাকে ঢাকা এনে ১৫ দিন চিকিৎসা করিয়ে শুস্থ করে বাড়ি পৌছে দে্য। স্বরূপকাঠির গুয়ারেখা ইউনিয়নের বাসু দেবকে ঢাকা এনে চিকিৎসা করায়। পিরোজপুরের শিশু আবু বকরের কিডনিজনিত সমস্যা হলে , তার চিকিৎসায় আমরা আর্থিকভাবে সাহায্য করে। বরিশালের এস আমল জনিকে চিকিৎসায় সাহায্য করি। বরিশালের বানারীপাড়ায় মাথায় গাছ পরে আঘাত পাওয়া জয় সরকার এর চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তোলে। পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ এর রাসেল মাঝির পেটে টিউমার হলে আমরা তার চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তোলে। ঝালকাঠির হতদরিদ্র ফারুক খানকে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তুলি। মোঃ রিপন হোসেন নামে এক রোগিকে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তোলে। মজিবর রহমান নামের এক রোগিকে টাকার অভাবে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দিচ্ছিল না, গ্রুপটি তাকে টাকা দিয়ে রিলিজ করানোর ব্যাবস্থ করে। এছাড়া কয়েকজন সুপার এক্টিভ মেম্বারকে আমরা চিকিৎসার জন্য আর্থিক ভাবে সাহায্য করে। তারা এক্টিভ বিধায় নাম প্রকাশ করলাম না। যেটা এডমিন প্যানেলের বর্তমান ও বহিষ্কৃত সদস্যরা সবাই জানে।
বরিশাল সদরের হিজলতলা হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও চন্দ্রমোহন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রদের মাঝে কোরান শরিফ প্রদান করে। গত রমজান মাসে বরগুনা জেলার কয়েকটি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় কোরান শরিফ বিতরন করে।
গত ১০ ই মহররম বরগুনা জেলার কিছু এতিম ছাত্রদের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরন করে। যেখানে প্রায় ৯০ জন এতিম শিশু ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের নিয়ে এই আয়োজন করেছিল।
গ্রুপটি প্রয়্যাত এডমিন মিলন ভাইয়ের মা ও তার একমাত্র মেয়েকে দেখাশুনা করা ও ভরনপোষন করা হয় গ্রুপের মাধ্যমে।
এ সব কিছুই করা হয় গ্রুপের এডমিন ও মেম্বারদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সাহায্যের মাধ্যমে। গ্রুপটি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। গ্রুপটি ফটো শেশনের জন্য বা নাম ফুটানোর জন্য মানব সেবা করে না। গ্রুপটি মানব সেবা করে মানুষের উপকারের জন্য ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। যারা কোন মানুষকে সামান্যতম উপকার না করেই স্বঘোষিত/কথিত মানব সেবক সাজছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলি… পারলে মানব সেবা করুন। মানুষের সামান্য হলেও উপকার হবে। কারও নামে মিথ্যা কুৎসা রটিয়ে লাভ নেই। যুগে যুগে মীরজাফর ছিল, আছে এবং থাকবে। তবুও মানব সেবা বন্ধ হবে না, ইনশাআল্লাহ।
সকলের জ্ঞাতার্থে একটি কথা জানিয়ে রাখতে চাই। কিছু আগে আমাদের এডমিন প্যানেলের কয়েকজন পদত্যাগ করেছিল (যদিও অনেকেই ভুল বুঝতে পেরে ফিরে আসছে)। তারা সকলেই পোষ্ট করে বলছিল এখানে আর্থিক হিসাব করা হয় সম্পুর্ন স্বচ্ছ ভাবে। এবং এটি মানব সেবায় সদা জাগ্রত। তাই কেও ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চেয়ে লাভ নাই। সত্য সব সময় সবার উপরেই থাকে।
মানবতার জয়, সব সময়
Be yourself; Everyone else is already taken.
— Oscar Wilde.
This is the first post on my new blog. I’m just getting this new blog going, so stay tuned for more. Subscribe below to get notified when I post new updates.